হোমPlot1ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্বর্ণ পদক, গীতিকার, সঙ্গীত শিল্পী থেকে ৩৩টি ভাষায় জ্ঞান, জানেন কি...

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্বর্ণ পদক, গীতিকার, সঙ্গীত শিল্পী থেকে ৩৩টি ভাষায় জ্ঞান, জানেন কি বঙ্গসন্তান এই সাধককে?

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্বর্ণ পদক, গীতিকার, সঙ্গীত শিল্পী থেকে ৩৩টি ভাষায় জ্ঞান, জানেন কি বঙ্গসন্তান এই সাধককে?

কিঞ্জল দত্ত
ভারতের সনাতন হিন্দুধর্মে শক্তি পথের জনপ্রিয়তা বহুদিনের। জীব উদ্ধারে অতীতে বহু মহাসাধক এসেছেন, বর্তমানেও সেই ধারা অব্যাহত। ১৯৪২ সালের ২ এপ্রিল বিহারের জামালপুরে রাধানাথ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তেমনই এক মহাসাধক। রাধানাথ চট্টোপাধ্যায় ও মা অমলাদেবীর চতুর্থ সন্তান বাসুদেব চট্টোপাধ্যায় পরবর্তীকালে গোটা ভারতে সাধক বাসুদেব পরমহংস নামে পরিচিত হয়েছিলেন।

১৯৫০ সালে, আট বছর বয়সে বিহারের মুঙ্গের শ্মশানে তাঁর আধ্যাত্মিক সাধনা শুরু হয়। পরবর্তীকালে রুরকি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে গোল্ড মেডেল নিয়ে পাশ করেন ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং। কে এই সাধক বাসুদেব? তিনি ছিলেন একাধারে অসাধারণ গীতিকার, সঙ্গীতশিল্পী, চিত্রশিল্পী, যন্ত্রশিল্পী। প্রায় দশ হাজারের বেশি গান ও পাঁচ হাজারের বেশি কবিতা লিখেছিলেন। তাঁর কণ্ঠ শুনে স্বয়ং গিরিজা দেবী প্রশংসা করেছিলেন।

গোটা বীরভূমে তিনি বাউল বাসুদেব নামেই পরিচিত ছিলেন। দেশ বিদেশের নানান বাদ্যযন্ত্র (রুদ্রবীণা, বাঁশি, খোল, করতাল, তানপুরা, সিন্থেসাইজার, তবলা ইত্যাদি) খুব সহজেই বাজাতে পারতেন তিনি। এমনকি প্রায় তেত্রিশটি ভাষায় কথা বলতে পারতেন।

১৯৬৮ সালে পুরীর স্বর্গদ্বার মহাশ্মশানে সমাধিস্থ অবস্থায় তিন মহাপুরুষের (ভৈরব শ্রীবামদেব, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব ও তৈলঙ্গস্বামী) দর্শন পান এবং তাঁদের থেকে যোগবলে দীক্ষিত হন। পরবর্তীকালে নেপালের ভস্মেশ্বর শ্মশানে রামনাথ অঘোরী বাবার কাছ থেকে তন্ত্র ও অঘোর বিদ্যা শেখেন সাধক বাসুদেব।

spot_img
spot_img

সবাই যা পড়ছেন

spot_img