হোমPlot1কারা কারা পাবেন অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার, স্পষ্ট করলেন অগ্নিমিত্রা, চালু হচ্ছে পোর্টালও

কারা কারা পাবেন অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার, স্পষ্ট করলেন অগ্নিমিত্রা, চালু হচ্ছে পোর্টালও

কারা কারা পাবেন অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার, স্পষ্ট করলেন অগ্নিমিত্রা, চালু হচ্ছে পোর্টালও

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের পরিবর্তে রাজ্যে চালু হতে চলেছে ‘অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার’। আগামী ১ জুন থেকেই প্রাপকরা মাসিক ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেতে শুরু করবেন। যাঁরা ইতিমধ্যে এই প্রকল্পে টাকা পাচ্ছেন, তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পৌঁছে যাবে।

তবে নতুন কারা কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। বুধবার বিধানসভায় এই ব্যাপারে সরকারের নীতি স্পষ্ট করেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

অগ্নিমিত্রা জানান, যাঁরা ইতিপূর্বে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আসবেন। তবে মৃত ব্যক্তি বা বাংলাদেশের নাগরিকরা কোনওভাবেই এই সুবিধা পাবেন না। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া বা এসআইআর সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র এসআইআর-এ যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের নাম খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, “৯১ লক্ষ নাম পর্যালোচনা করা হবে, তবে তাঁদের নাম এখনই বাদ দেওয়া হবে না। তাঁরা প্রকৃত নাগরিক কিনা, তা যাচাই করে দেখা হবে।” ভোটার তালিকায় নাম থাকা প্রত্যেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

ট্রাইব্যুনালে নাম থাকা বা ভোটার তালিকায় নাম না থাকা প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের দুশ্চিন্তা দূর করে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, যাঁদের নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে কিংবা যাঁরা সিএএ-এর জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের নামও এই প্রকল্প থেকে বাদ যাবে না। তাঁরাও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন।

অগ্নিমিত্রা আরও জানান, আগে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে আবেদন নেওয়া হলেও, এবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য অনলাইন পোর্টাল চালু করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই পোর্টাল চালু করা হবে।  মন্ত্রী জানান, দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে নয়, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য তৈরি হবে আলাদা পোর্টাল। খুব সাধারণ মানুষও সহজেই আবেদন করতে পারবেন। শুধুমাত্র অনলাইনেই আবেদন করতে পারবেন রাজ্যের মহিলারা।

তাঁর কথায়, “আমরা খুব দ্রুত অনলাইনে আবেদন করার ব্যবস্থা করছি। যাঁরা শিক্ষিত নন বা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ নন, তাঁদের কথা মাথায় রেখে আবেদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ করা হবে, যাতে রাজ্যের প্রতিটি মা-বোন অনায়াসেই এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।’

পাশাপাশি, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে দ্বিগুণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ দফতর সূত্রে জানা গেছে, ১ জুন থেকে এই ভাতা বৃদ্ধি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত কিছু ঘোষণা করা হয়নি। খুব শিগগিরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করবেন, এমনটাই সূত্রের খবর।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা – তিনটি ক্ষেত্রেই মাসিক ১০০০ টাকা করে দেওয়া হয়। সরকারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে, প্রাপকরা পাবেন ২০০০ টাকা করে।

spot_img
spot_img

সবাই যা পড়ছেন

spot_img