হোমPlot1২০২১-এ মমতার পা ভাঙেনি, হাতে রয়েছে প্রমাণ, চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

২০২১-এ মমতার পা ভাঙেনি, হাতে রয়েছে প্রমাণ, চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

২০২১-এ মমতার পা ভাঙেনি, হাতে রয়েছে প্রমাণ, চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কুড়ি দিন আগে (১০ মার্চ, ২০২১) নন্দীগ্রামে বীরুলিয়ায় প্রচারে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল। তারপর প্লাস্টার করা পায়ে হুইলচেয়ারে বসেই বাকি নির্বাচনী প্রচার সেরেছিলেন মমতা।

সেই সময় প্রচারমঞ্চে হুইলচেয়ারে বসে ফুটবল ছুড়ে স্লোগান তুলেছিলেন, ‘ভাঙা পায়েই খেলা হবে’। ঘটনার পাঁচ বছর পর সেই বীরুলিয়া থেকেই ভাঙা পায়ের প্রসঙ্গ তুলে বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সেদিন বিরুলিয়ার ঘটনায় মমতার পায়ে কোনও ফ্র্যাকচারই হয়নি! প্রয়োজনে প্রমাণ দেখানোরও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নিজের ছেড়ে যাওয়া আসন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু।

সেখানে তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হেরেই তো ঘরে ঢুকে গিয়েছিল। ভালো পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে ঘুরছিল। আমি কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করি না। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমি ওখানকার সভাপতি, ওটা ভবানীপুরের মধ্যে পড়ে। এক্স-রে প্লেট তো ডাক্তারের কাছে থাকে না, রোগী পেয়ে যায়। রিপোর্টটা থাকে। আমার কাছে ওই কাগজটা রয়েছে। সেদিন আপনাদের বদনাম করেছিল। লোহার বিমে গাড়ির দরজা লেগেছিল। দরজাটা ফিরে এসে তাঁর পায়ে একটু লেগেছিল। আর পা ভেঙেছে বলে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে ঘুরছিল। তখন উনি মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর ডাক্তাররাই লিখেছিল নো ফ্র্যাকচার। যেদিন দরকার হবে ওই কাগজটা দেখিয়ে দেব। আমি এখন পুলিশমন্ত্রীও বটে।”

বীরুলিয়ার প্রচারসভায় দাঁড়িয়েই তিনি ব্যাখ্যা দেন, ভবনীপুর আসন তিনি কেন ছাড়েননি। তাঁর কথায়, “বিচলিত হবেন না। আপনাদের শুভেন্দু গতকাল যা ছিল, আজও তাই আছে, আগামিকালও তাই থাকবে। আমি যদি ভবানীপুর ছেড়ে দিলে মানুষ যাঁকে বিতাড়িত করেছিল, সে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেত।”

শুভেন্দুর ছেড়ে আসা নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী তাঁরই নিহত আপ্ত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। এদিন তাঁর সমর্থনে প্রচারে গিয়ে নন্দীগ্রামের জনতার কাছে এই নৃশংস খুনের বদলা ইভিএমে নেওয়ার ডাক দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “ছেলেটার অপরাধ ছিল, ও আমার সহযোগী ছিল। গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল। বিহারের মুঙ্গের থেকে উত্তরপ্রদেশে সুপার ঠিক করল। যিনি যোগাযোগ করে দিয়েছিলেন তিনি চন্দ্রর সঙ্গেই থাকতেন। তাঁর হাতে ২ কোটি টাকা পৌঁছে দিয়েছিল ভাইপো গ্যাং। তদন্তকারীদের কাছে সব তথ্য আছে। অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছে। এবার শুধু ডায়মন্ড হারবার অ্যান্ড কোম্পানি বাকি আছে। এয়ারফোর্সের এক যুবককে খুন করার গণতান্ত্রিক বদলা হবে ইভিএমে।” ভোটে বড় মার্জিনের ডাক দিয়ে নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন ‘বন্ধু’ শুভেন্দু।

spot_img
spot_img

সবাই যা পড়ছেন

spot_img