হোমরাজ্যতৃণমূলত্যাগীদের টিকিট দিয়েই ডুবল বিজেপি, নন্দীগ্রামে ফের গণনা দাবি মমতার

তৃণমূলত্যাগীদের টিকিট দিয়েই ডুবল বিজেপি, নন্দীগ্রামে ফের গণনা দাবি মমতার

তৃণমূলত্যাগীদের টিকিট দিয়েই ডুবল বিজেপি, নন্দীগ্রামে ফের গণনা দাবি মমতার

কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে এই কৌশল নিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু ভোটের ফল বলে দিচ্ছে, বিজেপির রণকৌশল পুরোপুরি ফ্লপ। তৃণমূলের ঘর ভাঙিয়ে বাংলা দখলের ছক খুব একটা কাজে এল না।

অনেক নাটকের পর নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীকে জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই কেন্দ্রে ফের গণনার দাবি তুলেছে তৃণমূল। যদিও নির্বাচন কমিশন তা নস্যাৎ করে দিয়েছে।

শুভেন্দুর পাশাপাশি জিতেছেন মুকুল রায়, মিহির গোস্বামী। এছাড়া, বিজেপির টিকিটে দাঁড়ানো শতাধিক দলবদলু হেরেছেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশালী ডালমিয়া, রথীন চক্রবর্তী, জিতেন্দ্র তিওয়ারি, শীলভদ্র দত্তের মতো পরিচিত প্রার্থীরা হেরেছেন। জিততে পারেননি মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়, প্রবীর ঘোষাল, রুদ্রনীল ঘোষ, বিশ্বজিৎ কুণ্ডু সহ অন্যরা।

ভোটের মুখে একের পর এক মন্ত্রী-বিধায়কের দলত্যাগ তৃণমূলকে কিছুটা সমস্যায় ফেললেও, পরিস্থিতি সামাল দিতে একাই ময়দানে নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মানুষের প্রতি মমতার বার্তা ছিল, ২৯৪ কেন্দ্রে তিনিই প্রার্থী।

ভাঙা পা নিয়েই রাজ্যের এ প্রান্ত থেকে ও-প্রান্তে ছুটেছেন বাংলার অগ্নিকন্যা। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহকে মোকাবিলার একা নিজের হাতে নেন। আর তারই ফলশ্রুতি হল, সমস্ত সমীক্ষার হিসেবনিকেশ উল্টে দিয়ে দলকে জয় এনে দিলেন ২০০-র বেশি আসনে।

দলের একাধিক সাংসদকে দাঁড় করিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তাঁরা সবাই জিততে পারেননি। বাবুল সুপ্রিয়, লকেট চট্টোপাধ্যায় হেরেছেন। জিতেছেন জগন্নাথ সরকার, নিশীথ প্রামাণিক। রাজ্যসভার পদত্যাগ করিয়ে প্রার্থী করা হয়েছিল বিশিষ্ট সাংবাদিক স্বপন দাশগুপ্তকে। তিনিও হেরেছেন।

তবে বাংলা দখল করতে না পারলেও, বিজেপি বিধানসভায় আসনসংখ্যা ৩ থেকে বাড়িয়ে ৮০র কাছাকাছি নিয়ে যেতে পেরেছে। অন্যদিকে, বাংলার রাজনীতি থেকে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল বাম-কংগ্রেস। গত লোকসভার ভোটে সিপিএম, কংগ্রেসের ভোট বিজেপির দিকে গিয়েছিল। এবার সেই ভোটের একটা অংশও গেছে তৃণমূলের দিকে।

spot_img
spot_img

সবাই যা পড়ছেন

spot_img