হোমPlot1শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব, ২ জনকে মন্ত্রী করার ভাবনা

শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব, ২ জনকে মন্ত্রী করার ভাবনা

শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব, ২ জনকে মন্ত্রী করার ভাবনা

৯ মে ব্রিগেডে শপথ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে শপথ নেন আরও পাঁচ জন মন্ত্রী। এঁরা হলেন – দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। এখন দ্রুত মন্ত্রিসভা গঠনে তৎপর হয়ে উঠেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

আগামী ১৮ জুন থেকে শুরু হচ্ছে বিধানসভার অধিবেশন। তার আগেই জুনের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ সেরে ফেলতে চায় বিজেপি। বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ২৫ থেকে ২৭-এর মধ্যে রাখা হবে।

বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, বাম আমলের মতোই এবার শিক্ষা দফতরে ২ জন মন্ত্রীর কথা ভাবা হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিশিষ্ট সাংবাদিক স্বপন দাশগুপ্তের হাতে। বিদ্যালয় শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তৃণমূলের জমানায় শিক্ষা দফতরের বেহাল দশা বারবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে বিদ্যালয়গুলিতে পড়াশোনার মানের অবনতি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসছে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব সান্যালের নাম। তাঁকে শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে দেওয়া আসন নন্দীগ্রাম থেকে জিতিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। সঞ্জীব সান্যালের জন্ম কলকাতায়। পড়াশোনা করেছেন সেন্ট জেভিয়ার্স ও সেন্ট জেমস স্কুলে। পরে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রীরাম কলেজ অব কমার্সে পড়াশোনা করেন। অক্সফোর্ডের সেন্ট জন কলেজে উচ্চশিক্ষার পাঠ নেন। দর্শন, রাজনীতি এবং অর্থনীতি – তিনটি বিষয় নিয়েই পড়াশোনা করেছেন তিনি। তবে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে অর্থনীতিতেই।

কেরিয়ারের প্রথম দিকে ডয়েস ব্যাঙ্কের মুখ্য ইকনমিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। পরে গবেষণার কাজের জন্য চাকরি ছেড়ে দেন। ২০১৭-তে ভারতের অর্থ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর ২০২২-এর ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন।

বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে চলেছেন। এঁরা হলেন, তাপস রায়, রূপা গাঙ্গুলি, রুদ্রনীল ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল খাঁ, তিওয়ারি, রেখা পাত্র প্রমুখ।

ইন্দ্রনীল স্বাস্থ্য দফতরের মন্ত্রী হতে পারেন। রূপা এবং রুদ্রনীল, দুজনই বিনোদন ও সংস্কৃতি জগতের লোক। এঁদের মধ্যে যে কেউ সংস্কৃতি দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। জগন্নাথ সাংবাদিকতা ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁকে সম্ভবত তথ্য মন্ত্রী করা হতে পারে।

আপাতত মন্ত্রিসভার কলেবর বড় রাখার পক্ষপাতী নন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে পরবর্তীকালে পরিস্থিতি অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে।

spot_img
spot_img

সবাই যা পড়ছেন

spot_img