হোমPlot1বাংলায়ও চালু হয়ে গেল 'আয়ুষ্মান ভারত', কারা কারা পাবেন বিনামূল্যের চিকিৎসা পরিষেবা?

বাংলায়ও চালু হয়ে গেল ‘আয়ুষ্মান ভারত’, কারা কারা পাবেন বিনামূল্যের চিকিৎসা পরিষেবা?

বাংলায়ও চালু হয়ে গেল ‘আয়ুষ্মান ভারত’, কারা কারা পাবেন বিনামূল্যের চিকিৎসা পরিষেবা?

আজ (১৬ অগস্ট) থেকে পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়ে গেল কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য বিমা যোজনা আয়ুষ্মান ভারত। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে এই প্রকল্পের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

কারা কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। নির্দিষ্ট সূচকের ভিত্তিতে প্রকল্পের তথ্যভান্ডারে সুবিধাপ্রাপকের নাম থাকলে, তিনি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আর সেই তথ্য ভান্ডারে যদি নাম না থাকে, তা হলে সম্ভাব্য সুবিধাপ্রাপকের নাম ২০১৩ সালের জাতীয় খাদ্যসুরক্ষা আইন (তিন রকমের রেশন কার্ড)-এর তথ্যভান্ডারে নাম রয়েছে কি না, তা দেখা হবে। সেখানে যদি নাম থাকে, তাহলে ই-কেওয়াইসি (বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাইয়ের কাজ) হয়েছে কি না, তা দেখা হবে।

ই-কেওয়াইসি হয়ে থাকলে, কার্ডের জন্য সুবিধাপ্রাপককে অপেক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সাইটে গিয়ে তিনি স্টেটাস পরীক্ষা করতে পারবেন। ই-কেওয়াইসি না হলে, বুঝতে হবে সমীক্ষা বা যাচাইপ্রক্রিয়ার কাজ শেষ হয়নি। সে ক্ষেত্রে ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

যাঁদের নাম জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের তথ্য ভান্ডারে নেই, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। রবিবার আয়ুষ্মান ভারত যোজনার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনারও সূচনা করেন।

তিনি জানান, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবে প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার, অর্থাৎ, রাজ্যের প্রায় ৬ কোটি মানুষ। পাশাপাশি, রাজ্যের ৮০ লক্ষ মানুষ পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার সুবিধা। আজ যে দু’টি প্রকল্প চালু করা হল, তাতে সারা দেশের ৩৮,৬০৪টি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ জানানো হয়েছে, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলি সরকারি এবং তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে বা ক্যাশলেস (নগদহীন) চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।

ভূমিহীন এবং দিনমজুর পরিবার, তফসিলি জাতি এবং জনজাতিভুক্ত পরিবার, যাঁরা কাঁচাবাড়ি কিংবা এক কামরার বাড়িতে বসবাস করেন, যে পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনও রোজগেরে পুরুষ সদস্য নেই, তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তবে ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিকও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

spot_img
spot_img

সবাই যা পড়ছেন

spot_img