২৮ বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁকা তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক আপাতত তাঁর হাতে রইল না।উপনির্বাচনে এই প্রতীক পেল না বিক্ষুব্ধ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরও। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তৃণমূলের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক আপাতত তাদের সিন্দুকে জমা রাখা হচ্ছে। আসল তৃণমূল কে, দল কার, দলের তহবিলের মালিকানা কোন গোষ্ঠীর হাতে থাকবে প্রভৃতি চূড়ান্ত হওয়ার পরেই সিন্দুকের তালা খোলা হবে।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন হবে। সব পক্ষই তার জন্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, আপাতত কোনও পক্ষকেই আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না। ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও আপাতত ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষ। দুই শিবিরকে নিজেদের জন্য আলাদা নাম বেছে নিতে হবে। চাইলে সেই নামের সঙ্গে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর সম্পর্কের উল্লেখ রাখা যাবে।
ফলে কমিশনের ক্যাটালগে যে সমস্ত প্রতীক থাকে, তা থেকেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনের জন্য প্রতীক বেছে নিতে হবে মমতা এবং ঋতব্রত শিবিরকে।



