শঙ্কর দত্ত
সামনেই পার্বতী নন্দন গণেশের পূজা, কথিত আছে, দেব গণেশ সকল দেবতার আগে পুজো পাবেন। তারপর বাকিদের পুজো হবে। তিনি একাধারে বিঘ্নহর্তা, আবার কেউ কেউ তাকে সিদ্ধিদাতাও বলেন। অর্থাৎ, গণেশ যেমন যে কোনও সমস্যা বা জটিল ব্যাধি হরণ করেন, আবার ঠিক তেমনই তিনি সকলের সিদ্ধি প্রদান করেন।
তন্ত্রেও নানান গণেশের মূর্তি পুজো হয়ে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম, শক্তি-গণপতি, বীর-গণপতি, মহা-গণপতি, উচ্ছিষ্ট-গণপতি, হরিদ্রা-গণপতি ইত্যাদি। আর কলকাতার বগলামুখী মাতৃ মিশনে হরিদ্রা গণেশের আরাধনা হয়।
বগলামুখী মাতৃ মিশনের অধ্যক্ষ সোমানন্দ নাথের জানালেন, দেবী বগলার গণপতি হলেন হলুদ গণেশ, যিনি হরিদ্রা গণপতি নামেই প্রসিদ্ধ। সেই হলুদ গণেশ পুজোর পরই দেবীর পুজো করার বিধান রয়েছে। সেই কারণে এই মাতৃ মিশনে হলুদ গণেশ পুজো হয়।
১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার, পুজো হবে হরিদ্রা গণেশের। সকালে নিত্যপূজার পর সকাল ১০টায় শুরু হবে হরিদ্রা গণেশের পূজা। দুপুরে ভোগে থাকবে হলুদ পোলাও, পাঁচ রকমের ভাজা, তরকারি চাটনি, পায়েস এবং অবশ্যই হলুদ রঙের লাড্ডু। সম্পূর্ণ তন্ত্র মতে পূজা হবে এই হলুদ গণেশের।



