হোমআন্তর্জাতিক"নীলকন্ঠী অবিনশ্বর: বাংলার দুঃখী মানুষের শেষ ভরসা"

“নীলকন্ঠী অবিনশ্বর: বাংলার দুঃখী মানুষের শেষ ভরসা”

“নীলকন্ঠী অবিনশ্বর: বাংলার দুঃখী মানুষের শেষ ভরসা”

নয়ন বিশ্বাস রকি
বাংলা মায়ের আকাশে আজ কালো মেঘ। ঘরে ঘরে হাহাকার, পেটে ক্ষুধা, চোখে জল। যে দেশের মাটিতে মুক্তিযুদ্ধের রক্ত মিশে আছে, সেই মাটিতে আজ শুধুই অস্থিরতা, নেই নিরাপত্তা, নেই শান্তি।

অনেক দেরিতে হলেও মানুষ বুঝে গিয়েছে। মানুষের হুঁশ ফিরতে শুরু করেছে। উন্নয়নের রাস্তা কাঁটা হয়ে গেছে, গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়েছে। জিনিসপত্রের আগুন দামে পুড়ছে নিম্নবিত্তের সংসার। চাকরি নেই, ব্যবসা নেই, ভবিষ্যৎ নেই। শুধু আছে অনিশ্চয়তা আর আতঙ্ক। এই অন্ধকারের মধ্যেই উঠে আসছেএকটাই নাম ‐ শেখ হাসিনা।

তিনি শুধু একজন নেত্রী নন। তিনি বাংলার দুঃখী মানুষের অতি আপনজন। যিনি পদ্মা সেতু বানিয়ে দেখিয়েছেন “আমরা পারি”, যিনি করোনার সময় ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন, যিনি মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, শত শত ব্রিজ দিয়ে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতাকে ব্যবহার করেছেন দেশের মানুষের জন্য, নিজের পরিবারের জন্য নয়।

আজ যখন চারদিকে বিশৃঙ্খলা, তখন মানুষ ফিরে তাকাচ্ছে সেই নীলকন্ঠী অবিনশ্বর নারীর দিকে, যিনি বঙ্গবন্ধুর রক্ত ধারণ করেন, যিনি বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেও দেশ ছাড়েননি, মানুষ ছাড়েননি।

বাংলাদেশের মানুষের এখন মনের কথা একটাই, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে, শেখ হাসিনার দ্বিতীয়বার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন একান্ত প্রয়োজন।

এটা কোনও দলের দাবি নয়, এটা এখন দেশবাসীর দাবি, মায়ের দাবি, কৃষকের দাবি, শ্রমিকের দাবি, ছাত্রের দাবি। যাঁরা রাস্তায় হাঁটে, রিকশা চালায়, মাঠে ফসল ফলায়, তাঁদের সবার দাবি।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আজ পদদলিত। জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিচ্ছে। দেশটা আবার পিছিয়ে যাচ্ছে ২০০১-২০০৬ এর সেই অন্ধকার যুগে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারেন একমাত্র তিনিই, যিনি রক্ত দিয়ে, ঘাম দিয়ে, ভালোবাসা দিয়ে এই দেশটাকে গড়েছেন।

বাংলার মানুষ আবেগপ্রবণ, কিন্তু বোকা নয়। তাঁরা বুঝে গিয়েছেন, উন্নয়ন মানে শুধু ইট-পাথর নয়, উন্নয়ন মানে পেটে ভাত, ছেলের চাকরি, মেয়ের নিরাপত্তা। আর সেই নিরাপত্তার নামই ছিল শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।

আজ তাই প্রাণ খুলে বলতে ইচ্ছে করে, ফিরে আসুন মা, ফিরে আসুন দেশের জন্য, ফিরে আসুন সেই দুঃখী মানুষগুলোর জন্য যাঁরা আজও আপনার ছবি বুকে নিয়ে ঘুমায়।

ইতিহাস সাক্ষী থাকবে ‐ বাংলার মানুষ শেষ ভরসা হারায়নি। তাঁরা এখনও বিশ্বাস করে, নীলকন্ঠী অবিনশ্বর নেত্রী একদিন আসবেন। এসে এই দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে দেবেন। শান্তি ফিরিয়ে দেবেন।

  • নয়ন বিশ্বাস রকি প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতা, সমাজসেবক ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কর্মী
spot_img
spot_img

সবাই যা পড়ছেন

spot_img