প্রাইমা হোসেন
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি আজ এক চরম সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে থমকে দিয়ে দেশকে ধ্বংসস্তূপের কিনারায় নিয়ে যাওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। স্বাধীনতা বিরোধী হায়নারা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পদদলিত করতে চায়।
এই ক্রান্তিলগ্নে জাতির আশা-ভরসার শেষ ঠিকানা, বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এখন শুধু সময়ের দাবি নয়, এটি কোটি মানুষের প্রাণের দাবি।
জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং দেশের মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসাই পারে এই অস্থির বাংলাদেশকে আবার স্থিতিশীলতা, শান্তি ও উন্নয়নের মহাসড়কে ফিরিয়ে আনতে। তাঁর অনুপস্থিতিতে দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ আজ দিশেহারা।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নেত্রী দেশে ফিরলেই ফিরবে মানুষের বাক স্বাধীনতা, ফিরবে আইনের শাসন, ফিরবে উন্নয়নের ধারা। পদ্মা সেতু থেকে মেট্রো রেল, ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে করোনা মোকাবিলা, তাঁর হাত ধরেই এদেশ এগিয়েছে। তাই আজও দেশের হাল ধরতে তাঁকেই প্রয়োজন।
দেশের এই দুঃসময়ে আমার আহ্বান:
দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিভেদ ভুলে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেত্রীর আগমনের জন্য রাজপথে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আসুন আমরা মনে রাখি:
আমাদের শক্তি – সাংগঠনিক শৃঙ্খলা,
আমাদের অঙ্গীকার – দায়িত্ববোধ,
আমাদের বিজয় – ঐক্য।
আর কোনও ষড়যন্ত্র, আর কোনও অপশক্তি যেন এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল দেশপ্রেমিক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানাই।
নেত্রী আসবেন, দেশ বাঁচবে, মানুষ হাসবে।
- প্রাইমা হোসেন বিশিষ্ট সমাজসেবিকা ও সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কর্মী



